গত শুক্রবার রাতের দিকে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় অগ্নিমাত্রার এক ঘটনা সামনে আসে। উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভা ও তার পার্শ্ববর্তী হাজীপুর-সারেং বাড়ি সংলগ্ন একটি ডোবায় স্থানীয়রা এক যুবকের লাশ ভাসতে দেখে দ্রুত বিষয়টি পুলিশকে জানায়। ওই যুবকের নাম জানা গেছে — আবদুল কাদের জিলানী (৪২)। তিনি চৌমুহনী পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের হাজীপুর গ্রামের মোঃ গোফরানের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়দের দেওয়া অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার রাতে কাদেরকে শ্বশুরবাড়ির সামনে থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রতিপক্ষরা প্রায় ১০-১২ জন সমবেত হয়ে তার ওপর উঠতি হামলা চালায়, মারপিট করে হত্যা করে এবং পরে দেহটি ডোবায় ফেলে দেয়। স্থানীয়রা বলছেন, দোকানের সামনে বসে থাকা লোকজন সন্ত্রাসীদের দেখে ছিল, জিজ্ঞাবাসার মাধ্যমে পরিচয় বেরিয়ে আসবে। পুলিশের বক্তব্য অনেকে ভিন্ন দিক দিয়ে দিচ্ছে। বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিটন দেওয়ান বলেন, নিহতের নামে একাধিক মামলা রয়েছে এবং এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ ছিল — এ কারণে এই ঘটনা হতে পারে।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য ডিজিটাল প্রমোট এন্ড বুস্ট সার্ভিসের নতুন সংযোজন ৫ ডলারের ক্যাম্পেইন!
Fb: https://www.facebook.com/DPBS20
Web: dpbsonline.com
এদিকে ময়নাতদন্ত ও প্রসঙ্গ-তদন্তে এমন তথ্য পাওয়া গেছে: লাশ উদ্ধার করা হয়েছে গভীর রাতে, ডোবাটি এমন ছিল যেখানে পানির গভীরতা হাঁটুর উচ্চতারও কম ছিল — সাঁতার জানিয়ে থাকা একজনের এমন যায়গায় আত্মহত্যার বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হবার সুযোগ কম বলছেন পুলিশরা। এছাড়া এখনও শরীরের সব ক্ষতের চিহ্ন ঠিকভাবে দেখা যায় নি কারণ দেহ পানিতে দীর্ঘসময় ভেসে ছিল। স্থানীয়দের মধ্যে এই হত্যাকাণ্ডে ক্ষোভ বিরাজ করছে। নিহত কাদেরের বড় ভাই ও স্বজনদের দাবি, হত্যাকারীদের দ্রুত শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইছেন তারা। পুলিশও তাঁদের দাবিকে গুরুত্ব দিচ্ছে এবং তদন্ত শুরু করেছে — সিসিটিভি ফুটেজ, প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ ও লাশের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে বলেও জানানো হয়েছে।
এই ঘটনায় এলাকাবাসীর মধ্যে একরাশ উদ্বেগ দেখা দিয়েছে — তারা বলছেন, এমন ন্যায়বিচার সম্ভব হলে আগামীতেও এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড রোখা যেতে পারে। প্রশাসনিক পর্যায়ে বিষয়টি মনিটরিং হচ্ছে বলেও অনেকে সূত্রে বলছেন।



