মায়ামি ম্যাচে আর্জেন্টাইন তারকা লিওনেল মেসির জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্টে বড় জয় লাভ করেছে। মেসির সঙ্গে গোলের দেখা পেয়েছেন লুইস সুয়ারেজ, এছাড়া এক একটি গোল করেছেন তাদেও আয়েন্দে ও ফাফা পিকল্ট।
চেজ স্টেডিয়ামে মায়ামি পুরোপুরি আধিপত্য বিস্তার করে খেলা উপস্থাপন করেছে। তারা ম্যাচে ৫১ শতাংশ সময় বল দখলে রেখেছে এবং ১৪টি শট নিয়েছে, যার মধ্যে ৭টি শট ছিল লক্ষ্যভেদী। বিপরীতে, কলম্বাস ১২টি শট নিয়েও মাত্র একবারই গোলের জন্য লক্ষ্যবস্তু স্পর্শ করতে পেরেছে।
মেসির ফ্রি-কিক ক্রস থেকে মাত্র ১৩তম মিনিটেই মায়ামি লিড নেয়। মাঝমাঠ থেকে আর্জেন্টাইন তারকার ক্রসে বক্সে ঢুকে ওয়ান অন ওয়ান পজিশনে কলম্বাসের গোলরক্ষককে পরাস্ত করে আয়েন্দে প্রথম গোলটি করেন। এরপর মেসিই সরাসরি গোল করার মাধ্যমে দলের দ্বিতীয় গোল নিশ্চিত করেন।

১৫তম মিনিটে কলম্বাস গোলরক্ষক নিকোলাস হাগেনের ভুল সুযোগ নিয়ে মায়ামি ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। হাগেন বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে ডি-বক্সের বাইরে থাকা মেসির কাছে দেন, সেখানে দাঁড়িয়ে মেসি বাঁ পায়ে দুর্দান্ত শট নেন যা গোলের জালে গড়িয়ে যায়। এর আট মিনিট পর আবারও মেসির জাদু দেখার সুযোগ মেলে, সার্জিও বুসকেটসের লম্বা ক্রস পেয়ে বক্সে ঢুকে ওয়ান অন ওয়ান পজিশনে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে বল জালে পাঠান মেসি। প্রথমার্ধে ৩-০ গোলের লিড নিয়ে বিরতি নেয় মায়ামি।
৫৮তম মিনিটে কলম্বাস বাঁ কর্নার থেকে চামবোস্টের ক্রসে হেড করে সেজার রুবালকাবা গোল করে ব্যবধান কমায়। কিন্তু পাঁচ মিনিট পর সুয়ারেজ দলের জন্য ফের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন। সেগোভিয়ার পাস পেয়ে বক্সের মধ্যে নিখুঁত শট নেন তিনি।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে মেসির দুর্দান্ত পাস থেকে পিকল্ট গোল করে ম্যাচে ব্যবধান আরও বাড়িয়ে ৫-১ ফল নিয়ে জয় পায় মায়ামি।
এই জয়ে ১৬ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট নিয়ে ইন্টার কনফারেন্সে তিন নম্বরে উঠে এসেছে মায়ামি। ১৭ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে সুলিভান ব্রাদার্সের ফিলাডেলফিয়া।



