নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরএলাহী ও গুচ্ছগ্রামে মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে বিশেষ অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল এবং মাছ ধরার দুটি নৌকা জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে এক জেলেকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এক মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বামনীয়া নদীর চরফকিরা ও চরএলাহী এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানে ৫০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও মাছ ধরার নৌকা জব্দ করা হয়। পরে এসব অবৈধ জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর ফরহাদ শামীম। সঙ্গে ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. জিয়া উদ্দিন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সরকার, কোস্টগার্ড ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।
অভিযান চলাকালে দুলাল উদ্দিন নামে এক জেলে আটক হন। তিনি চরফকিরা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবু নাসেরের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদে দুলাল অবৈধভাবে মাছ ধরার বিষয়টি স্বীকার করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে। পরে তাকে নোয়াখালী জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম সরকার জানান, অভিযানের সময় দুটি নৌকা মাছ আহরণ শেষে পালিয়ে যায়। তবে দুলাল মাঝি নৌকা এবং জালের প্রতি টান অনুভব করে সেখানেই থেকে যান। ফলে তাকে আটক করা সম্ভব হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানভীর ফরহাদ শামীম বলেন, মা ইলিশের প্রজনন মৌসুমে অবৈধ জাল ব্যবহার বন্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। যারা আইন অমান্য করছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।



