Homeঅর্থনীতিশিক্ষামন্ত্রীর মতে, কিছু স্কুলে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে।

শিক্ষামন্ত্রীর মতে, কিছু স্কুলে অনলাইন-অফলাইন ক্লাস চালু হতে পারে।

বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট, নগরাঞ্চলে তীব্র যানজট এবং প্রযুক্তিনির্ভর ভবিষ্যৎ শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় দেশের নির্বাচিত কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরীক্ষামূলকভাবে (পাইলট প্রকল্প) অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের সমন্বয়ে ‘হাইব্রিড শিক্ষা পদ্ধতি’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার। এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে জ্বালানি সাশ্রয়, যানজট হ্রাস এবং শিক্ষার্থীদের পাঠক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা সহজ হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

বুধবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ‘বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, “বিশ্ব ইতিহাসে প্রতিটি বড় সংকট নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। তাই বর্তমান জ্বালানি সংকট ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জকে আমরা শুধু হুমকি হিসেবে দেখব না; বরং এটিকে সুযোগে রূপান্তর করতে হবে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রযুক্তির দ্রুত বিকাশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকেও আধুনিক ও নমনীয় করতে হবে।

প্রস্তাবিত হাইব্রিড শিক্ষা পদ্ধতিতে সপ্তাহের নির্দিষ্ট কিছু দিন শিক্ষার্থীরা সরাসরি শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকবে, আর বাকি দিনগুলোতে অনলাইনে ক্লাসে অংশ নেবে। তবে এই পদ্ধতি একযোগে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চালু না করে প্রথমে ‘সক্ষমতা সম্পন্ন’ কিছু স্কুলে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হবে।

মন্ত্রী জানান, “রাজধানীতে অনেক শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত গাড়িতে স্কুলে যাতায়াত করে, যা প্রতিদিন বিপুল জ্বালানি অপচয় ও যানজট সৃষ্টি করে। হাইব্রিড পদ্ধতি চালু হলে শিক্ষার্থীদের দৈনিক উপস্থিতি কমে গিয়ে এ চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Must Read

spot_img