জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম জানান, নোয়াখালীর সব আসনে ভোটের পরিবেশ অত্যন্ত সন্তোষজনক। ছয়টি আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ৪৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনকে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু করতে সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনটি বিচ্ছিন্ন দ্বীপ এলাকা হওয়ায় সেখানে পুলিশ ও আনসারের পাশাপাশি কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী দায়িত্বে থাকবেন। অপর পাঁচটি আসনে নিরাপত্তা তদারকিতে নিয়োজিত থাকবেন সেনাবাহিনী, র্যাব, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা।

নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসংখ্যা যথাক্রমে: সেনাবাহিনী ৭০০ জন, বিজিবি ২৫০ জন, পুলিশ ২,৬৫০ জন, র্যাব ১০০ জন, নৌবাহিনী ২৪০ জন, কোস্টগার্ড ১,০৬৪ জন এবং আনসার ১১,৩৭৫ জন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার নেতৃত্বে দায়িত্বে রয়েছেন ১৪ জন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা, ১৪ জন প্রথম শ্রেণির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ৮৭৫ জন প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, ৫,৬০৯ জন সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা এবং ১১,২১৮ জন পোলিং কর্মকর্তা।
জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাদেকুল ইসলাম বলেন, ছয়টি আসনের নয়টি উপজেলায় নির্বাচনী ব্যালট ও প্রয়োজনীয় মালামাল পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। বুধবার বিকেলের মধ্যে এসব মালামাল সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রে পৌঁছানো হবে। এছাড়া ব্যালট পেপার ও ভোট বাক্সের নিরাপত্তায় সব প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২,৮৬৭,৬৩৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১৪,৯৬,৩৮০ জন, নারী ভোটার ১৩,৭১,২৪৫ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১৪ জন। জেলায় মোট ৮৭৫টি ভোটকেন্দ্র ও ৫,৬০৯টি ভোটকক্ষ রয়েছে।
প্রার্থী সংখ্যা অনুযায়ী ছয়টি আসনের তালিকা: নোয়াখালী-১ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-২ আসনে ৫ জন, নোয়াখালী-৩ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-৪ আসনে ৭ জন, নোয়াখালী-৫ আসনে ১২ জন এবং নোয়াখালী-৬ আসনে ১০ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।



