রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগের একদিন পর আজ রোববার দুপুর ২টা ২৫ মিনিটে সপরিবারে বঙ্গভবন ত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। তাঁর গাড়িবহরটি বঙ্গভবন থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা যায়।
সাবেক রাষ্ট্রপতির বহরে তাঁর সরকারি গাড়িসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মোট ১৮টি যানবাহন ছিল। দুপুর থেকেই বিভিন্ন গণমাধ্যমের কর্মীরা বঙ্গভবনের সামনে অবস্থান নেন। পাশাপাশি কৌতূহলী মানুষও সেখানে ভিড় করেন। এ সময় পুরো এলাকায় পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের তৎপরতা চোখে পড়ে।
এদিকে রাজধানীর গুলশানের ১২৩ নম্বর সড়কে অবস্থিত মো. সাহাবুদ্দিনের বাসভবনে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও প্রস্তুতির কাজ। বাড়ির নিচতলার বসার স্থান নতুন করে রং করা হয়েছে এবং আসবাবপত্র পরিষ্কার করা হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে তিনি ওই ভবনের পঞ্চম তলার একটি ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন।
গুলশানের বাসভবনেও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সকাল থেকেই পুলিশ, র্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে মোতায়েন রয়েছেন।

মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর বঙ্গভবনের দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তবে তিনি জাতীয় সংসদের স্পিকারের সরকারি বাসভবন থেকেই দায়িত্ব পালন করবেন।
গত শুক্রবার বিকেলে মো. সাহাবুদ্দিন স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের কাছে পাঠান। পরে সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার পদত্যাগপত্র পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন এবং সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের ঘোষণা দেন।
অসুস্থতাকে পদত্যাগের কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে তিনি ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। পাঁচ বছরের মেয়াদ অনুযায়ী তাঁর দায়িত্ব ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের প্রায় ২১ মাস আগেই তিনি রাষ্ট্রপতির পদ ছাড়েন এবং বঙ্গভবন ত্যাগ করেন।



