বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন ডিজাইনের ১০ টাকার নোট বাজারে ছেড়েছে। ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক শাখা ও এটিএম বুথের মাধ্যমে নতুন নোট লেনদেনে আসতে শুরু করেছে। নতুন নোটে উন্নত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যুক্ত করায় নকল নোট শনাক্ত করা এখন আগের তুলনায় অনেক সহজ হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
নতুন ১০ টাকার নোটের বৈশিষ্ট্য
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যমতে, নতুন ১০ টাকার নোটে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। এতে রয়েছে—
- উন্নত ওয়াটারমার্ক
- স্পষ্ট নিরাপত্তা সুতা (Security Thread)
- আলোতে ধরলে দৃশ্যমান রঙ পরিবর্তনশীল অংশ
- স্পর্শ করলে বোঝা যায় এমন উঁচু ছাপা লেখা
- নিখুঁত ও পরিষ্কার প্রিন্ট কোয়ালিটি
এই বৈশিষ্ট্যগুলো নকল নোট তৈরিকে কঠিন করে তুলবে।

আসল-নকল ১০ টাকার নোট চেনার সহজ উপায়
সাধারণ মানুষ যেন সহজেই আসল ও নকল নোট আলাদা করতে পারেন, সেজন্য বাংলাদেশ ব্যাংক কয়েকটি নির্দেশনা দিয়েছে—
- আলোতে ধরে দেখুন
আসল নোটে ওয়াটারমার্ক ও নিরাপত্তা সুতা পরিষ্কারভাবে দেখা যাবে। - স্পর্শ করে অনুভব করুন
আসল নোটে কিছু লেখা ও ডিজাইন উঁচু অনুভূত হবে, নকল নোটে তা থাকে না। - রঙ পরিবর্তন লক্ষ্য করুন
নোট কাত করলে নির্দিষ্ট অংশে রঙের পরিবর্তন দেখা যাবে। - ছাপার মান পরীক্ষা করুন
নকল নোটে ছাপা অস্পষ্ট ও ঝাপসা হয়, আসল নোটে লেখা পরিষ্কার ও ধারালো।
পুরোনো নোট কি বাতিল?
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, পুরোনো ১০ টাকার নোট আগের মতোই বৈধ থাকবে। নতুন নোট ধীরে ধীরে বাজারে ছাড়া হচ্ছে এবং উভয় নোটই একসঙ্গে চলবে।
সতর্কতা
নকল নোট লেনদেন একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। কেউ সন্দেহজনক নোট পেলে নিকটস্থ ব্যাংক শাখা বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানোর অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।



