বাংলাদেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে হিন্দু সংখ্যালঘুর ওপর সহিংসতার ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে ঢাকার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে কয়েকটি ঘটনায় গ্রামবাসী উদ্বিগ্ন।
সর্বশেষ ঘটনার মধ্যে এক যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে অবৈধভাবে গ্রুপ দ্বারা আক্রমণ এবং পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা চালানো হয়। স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, এটি শুধু নির্দিষ্ট ব্যক্তি নয়, বরং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর ভয়ের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা।
মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, “নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের ওপর এই ধরনের হামলা শুধু মানবাধিকারের লঙ্ঘন নয়, এটি নির্বাচনী প্রক্রিয়াকেও প্রভাবিত করতে পারে। সরকার ও প্রশাসনকে অবশ্যই দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।”

স্থানীয় প্রতিক্রিয়া
- একজন স্থানীয় শিক্ষক বলেন, “গ্রামে আমরা সবাই ভয় পাচ্ছি। মানুষ নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগে অনিশ্চিত।”
- আরেকটি পরিবার জানিয়েছেন, “আমরা ভোট দিতে চাই, কিন্তু নিরাপত্তার আশ্বাস নেই। আমাদের ভোটাধিকার প্রভাবিত হচ্ছে।”
বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনও এই ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং প্রশাসনের কাছে সংক্ষিপ্ত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রশাসনের বক্তব্য
ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার জানান, “ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিক তদন্ত চলছে। যারা দায়ী তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জনগণ আতঙ্কিত না হওয়ার জন্য আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি।”
এই ঘটনা শুধু একটি হামলা নয়, এটি আমাদের সকলের নৈতিক দায়িত্ব ও দায়িত্বশীলতা মনে করিয়ে দিচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের নয়, সমাজের প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব।



