যুক্তরাষ্ট্রের কেনটাকি ও মিসৌরি অঙ্গরাজ্যে শক্তিশালী টর্নেডোর আঘাতে অন্তত ২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন অনেক মানুষ। শুক্রবার (১৬ মে) মধ্যরাতে শুরু হওয়া এই দুর্যোগে ব্যাপক প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এখনও উদ্ধারকাজ চলছে, ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (১৭ মে) এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দেওয়া এক বার্তায় কেনটাকির গভর্নর অ্যান্ডি বেসিয়ার জানান, শুধু তার রাজ্যেই অন্তত ১৮ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
অন্যদিকে, মিসৌরির স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, সেখানে সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। অনেক ঘরবাড়ি ধসে পড়েছে, এবং ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো অনেকে আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার কার্যক্রম চলছে দ্রুতগতিতে।
পাশের আরও দুটি অঙ্গরাজ্যেও টর্নেডোর প্রভাব পড়েছে, যেখানে আরও দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

কেনটাকির লরেল কাউন্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে জানায় পুলিশ কর্মকর্তা জন রুট। তিনি বলেন, “আহতদের উদ্ধারে টানা কাজ চলছে এবং জরুরি সেবা দলগুলো পুরো এলাকাজুড়ে তৎপর রয়েছে।”
মিসৌরির সেন্ট লুইস শহরের মেয়র কারা স্পেনসার জানান, শহরে পাঁচজন মারা গেছেন এবং অন্তত পাঁচ হাজার বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এছাড়া সেন্ট লুইস থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণের স্কট কাউন্টিতেও একটি টর্নেডো আঘাত হানে, যেখানে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং বহু মানুষ আহত হন।



