স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের যৌথ আয়োজনে এবং সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) তত্ত্বাবধানে ‘বাংলাদেশে টিকা কার্যক্রমের সাফল্য, উদ্ভাবন, বিদ্যমান চ্যালেঞ্জ এবং করণীয়’ তুলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, টিকা কার্যক্রমে বাংলাদেশ লাভবান হলেও এখনো ১৬ শতাংশ শিশু এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।
সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) বাংলাদেশ সরকারের সফল উদ্যোগগুলোর অন্যতম। ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশে ইপিআই কার্যক্রম যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালে ইপিআই কার্যক্রম সারা দেশে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেয়া হয়। ঢাকা শহরে ইপিআই কার্যক্রম ১৯৮৯ সালে প্রাথমিকভাবে যাত্রা করে এবং পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিভাগীয় শহরে বিস্তৃত কর হয়। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় গত ৪৫ বছরে বাংলাদেশ টিকাদান কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করে এবং ভ্যাকসিন-প্রতিরোধযোগ্য রোগ (ভিপিডি) নির্মূল বা নিয়ন্ত্রণেও যথেষ্ঠ অগ্রগতি অর্জন করতে সামর্থ্য হয়।
সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা হয়, ইপিআই একটি মূল্যবান বিনিয়োগ, এই ক্ষেত্রে প্রতি ১ মার্কিন ডলার বিনিয়োগের জন্য ২৫.৪ মার্কিন ডলারের উপকার হয়ে থাকে।
ইপিআই কাভারেজ ইভালুয়েশন সার্ভে ২০১৯’র পরিসংখ্যান থেকে দেখা যায় বাংলাদেশে ১৯৮৫ সালে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির কভারেজ ছিল ২ শতাংশের নিচে যা বর্তমানে ৮৩.৯ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। তবে গ্রাম শহর নির্বিশেষে কাভারেজের ভিন্নতা লক্ষ্য করা যায়। গত ১২ বছরে ইপিআই কভারেজ ৮৪ শতাংশের ওপরে উঠেনি এবং ১৬ শতাংশ শিশু টিকা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা: নিজাম উদ্দিন আহমেদ।
উপস্থিত ছিলেন- ইপিআই কার্যক্রমের প্রোগ্রাম ম্যানেজার ডা: আবুল ফজল মো: সাহাবুদ্দিন খান, স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশন পরিচালিত গবেষণা প্রকল্পের পলিসি অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো: রফিকুল ইসলাম।



