যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজাবাসীর পাশে মানবিক উদ্যোগ, সৌদির সঙ্গে সমঝোতা সম্পন্ন
উপমন্ত্রী আরও জানান, এই উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবো সুবিয়ান্তোর সরাসরি নির্দেশনায়। মুসলিম উম্মাহর মধ্যে ভ্রাতৃত্ববোধ ও মানবিক সহমর্মিতা জোরদারের অংশ হিসেবেই এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ইন্দোনেশিয়ার ১ লাখ ২৬ হাজার ৮৩২ জন হজযাত্রী কোরবানির পশুর অর্থ পরিশোধ করেছেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ফলে বিপুল পরিমাণ কোরবানির মাংস ফিলিস্তিনে পাঠানোর সুযোগ তৈরি হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, গাজায় চলমান যুদ্ধ ও অবরোধের কারণে খাদ্য সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এমন পরিস্থিতিতে হজের কোরবানির মাংস ফিলিস্তিনিদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগ শুধু মানবিক সহায়তাই নয়, বরং মুসলিম বিশ্বের সংহতিরও একটি শক্তিশালী বার্তা বহন করছে।
ইন্দোনেশিয়ার এই পদক্ষেপ ইতোমধ্যে বিভিন্ন মুসলিম দেশে প্রশংসিত হয়েছে। অনেকেই এটিকে মুসলিম বিশ্বের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন, যেখানে ধর্মীয় আচার ও মানবিক দায়িত্ব একই সুতোয় গাঁথা হয়েছে।



